চিকিৎসকেরা সংক্রমণ নিশ্চিত হবার সাথে সাথে রোগীর অবস্থা বুঝে ব্যবস্থাপত্র দিয়ে থাকেন। সাধারণত অ্যানেরোবিক কভারেজ সহ ব্রডস্পেকট্রাম অ্যান্টিবায়োটিক দিয়ে চিকিৎসা শুরু করা হয় এবং কালচার অ্যান্ড সেনসিটিভিটি রিপোর্ট হাতে এলে ৩ দিন,৭ দিন বা ক্ষেত্র-বিশেষে ১০-১৪ দিন পর্যন্তও রিপোর্ট অনুযায়ী অ্যান্টিবায়োটিক দেয়া হয়।
Urinary tract infection কি? রোগটি কেন হয়!
Urinary tract infection কি? রোগটি কেন হয়!
Urinary tract infection (ইউরিন ইনফেকশনে) ৮টি ঘরোয়া চিকিৎসা নিচে দেয়া হল!
১) সাইডার ভিনেগার:
এই ভিনেগারে আছে নানান রকম এনজাইম, পটাশিয়াম এবং গুরুত্বপূর্ণ মিনারেল যা Urinary tract infection রোধ করতে সক্ষম। এই ভিনেগার প্রাকৃতিক হিসেবে কাজ করে এই সমস্যা রোধ করতে।
১)একগ্লাস পানির সাথে ২ চামচ অ্যাপেল সাইডার ভিনেগার মিশিয়ে Antibiotics খেয়ে নিন। এছাড়াও আপনি লেবুর রসের সাথে মধু মিশিয়ে খেতে পারেন। দ্রুত ইনফেকশন সারিয়ে তোলার জন্য এই পানীয়টি প্রতিদিন ২ বার খান।
২) বেকিং সোডা:
বেকিং সোডার এসিড উপাদান, এসিড জাতীয় প্রস্রাবের সমস্যা রোধ করে এবং ব্যথাও দূর করে। তাই এই সমস্যা এড়াতে একচামচ বেকিং সোডার সাথে একগ্লাস পানি মিশিয়ে প্রতিদিন ১/২ বার খেয়ে নিন।
৩) আনারস:
সুস্বাদু ফল আনারসে আছে একটি এনজাইম উপাদান যা ব্রোমেলাইন নামে পরিচিত এবং এই উপদানটি Urinary tract infection (ইউরিনারি ইনফেকশন) এর জ্বালাপোড়া রোধ করে। এই সমস্যায় শুধু আনারস না খেয়ে ডাক্তারের পরামর্শ অনুযায়ী Antibiotics (অ্যান্টিবায়টিক) ও খাওয়া ভালো দ্রুত ইনফেকশন রোধ করার জন্য। প্রতিদিন ১ কাপ আনারস খাওয়া ভালো Urinary tract infection (ইউরিনারি ইনফেকশন) রোধ করার জন্য। চাইলে আপনি আনারস জুস বানিয়েও খেতে পারেন তবে ক্যানে বহন করা আনারস না খাওয়া ভালো কারণ এগুলোতে প্রিজারভেটিভ দেয়া থাকে।
৪) প্রচুর পরিমান পানি:
যাদের ইউটিআই আছে তাদের প্রচুর পানি পান করা প্রয়োজন । বেশী পানি পান করলে প্রস্রাবের বেগ বৃদ্ধি পায় এবং প্রস্রাবের সাথে শরীর থেকে ব্যাকটেরিয়া বের হয়ে যায়।
৪) ইসুবগুলের ভুষি:
না কোন সফট ড্রিংক এর কথা বলছি না, ইসুবগুলের ভুষি কথা বলছি। এক গ্লাস পানিতে দুই চামচ ইসুবগুলের ভুষি মিশিয়ে একটানা দুই সপ্তাহ সকাল বেলা পান করুন প্রস্রাবের জ্বালা পোড়া কমবে ।
৬) সেলেরি বীজ:
সেলারি বীজ মূত্র বর্ধক হিসাবে কাজ করে। এক মুঠো সেলেরি বীজ চিবিয়ে রস খেতে পারেন অথবা এক কাপ গরম পানিতে কিছু সেলেরি বীজ দিয়ে ঢেকে দিন ,৮ মিনিট পর মিশ্রণটি ছেঁকে নিয়ে পান করুন। এটা ইউ টি আই প্রতিরোধ করে।
৭) শসা:
শসাতে প্রচুর পানি আছে। প্রতিদিন কম পক্ষে একটি শসা স্লাইস করে খেতে পারেন।
৮) গরম সেক:
হট ওয়াটার ব্যাগ এ গরম পানি নিয়ে আপনার তলপেটের উপর রাখুন, এতে খুব দ্রুত প্রস্রাবের জ্বালা পোরা ও ব্যথা দূর হবে।
২) বেকিং সোডা:
বেকিং সোডার এসিড উপাদান, এসিড জাতীয় প্রস্রাবের সমস্যা রোধ করে এবং ব্যথাও দূর করে। তাই এই সমস্যা এড়াতে একচামচ বেকিং সোডার সাথে একগ্লাস পানি মিশিয়ে প্রতিদিন ১/২ বার খেয়ে নিন।
৩) আনারস:
সুস্বাদু ফল আনারসে আছে একটি এনজাইম উপাদান যা ব্রোমেলাইন নামে পরিচিত এবং এই উপদানটি Urinary tract infection (ইউরিনারি ইনফেকশন) এর জ্বালাপোড়া রোধ করে। এই সমস্যায় শুধু আনারস না খেয়ে ডাক্তারের পরামর্শ অনুযায়ী Antibiotics (অ্যান্টিবায়টিক) ও খাওয়া ভালো দ্রুত ইনফেকশন রোধ করার জন্য। প্রতিদিন ১ কাপ আনারস খাওয়া ভালো Urinary tract infection (ইউরিনারি ইনফেকশন) রোধ করার জন্য। চাইলে আপনি আনারস জুস বানিয়েও খেতে পারেন তবে ক্যানে বহন করা আনারস না খাওয়া ভালো কারণ এগুলোতে প্রিজারভেটিভ দেয়া থাকে।
৪) প্রচুর পরিমান পানি:
যাদের ইউটিআই আছে তাদের প্রচুর পানি পান করা প্রয়োজন । বেশী পানি পান করলে প্রস্রাবের বেগ বৃদ্ধি পায় এবং প্রস্রাবের সাথে শরীর থেকে ব্যাকটেরিয়া বের হয়ে যায়।
৪) ইসুবগুলের ভুষি:
না কোন সফট ড্রিংক এর কথা বলছি না, ইসুবগুলের ভুষি কথা বলছি। এক গ্লাস পানিতে দুই চামচ ইসুবগুলের ভুষি মিশিয়ে একটানা দুই সপ্তাহ সকাল বেলা পান করুন প্রস্রাবের জ্বালা পোড়া কমবে ।
৬) সেলেরি বীজ:
সেলারি বীজ মূত্র বর্ধক হিসাবে কাজ করে। এক মুঠো সেলেরি বীজ চিবিয়ে রস খেতে পারেন অথবা এক কাপ গরম পানিতে কিছু সেলেরি বীজ দিয়ে ঢেকে দিন ,৮ মিনিট পর মিশ্রণটি ছেঁকে নিয়ে পান করুন। এটা ইউ টি আই প্রতিরোধ করে।
৭) শসা:
শসাতে প্রচুর পানি আছে। প্রতিদিন কম পক্ষে একটি শসা স্লাইস করে খেতে পারেন।
৮) গরম সেক:
হট ওয়াটার ব্যাগ এ গরম পানি নিয়ে আপনার তলপেটের উপর রাখুন, এতে খুব দ্রুত প্রস্রাবের জ্বালা পোরা ও ব্যথা দূর হবে।

0 মন্তব্য(গুলি):
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন
প্রিয় পাঠক, আপনার একটি মন্তব্য একজন লেখক কে ভালো কিছু লেখার অনুপ্রেরণা ও উৎসাহ যোগায় তাই প্রতিটি পোস্ট পড়ার পর নিজের মতামত/মন্তব্য জানাতে ভুলবেন না।পোস্টটি পড়ার পর আপনার ভাল-লাগা,মন্দ-লাগা,জিজ্ঞাসা কিংবা পরামর্শ প্রদানের জন্য দয়া করে গঠনমূলক মন্তব্য প্রদান করবেন এবং আপনার বন্ধুদের সাথে শেয়ার করবেন।আপনার একটি মন্তব্যই আমার নিকট অনেক মূল্যবান।আসসালামু আলাইকুম...